মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৪:২৪ অপরাহ্ন

করোনার মহামারীতে গতি ধরে রেখেছে চট্টগ্রামের বন্দর
Reporter Name
Update : মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১

সত্যখবর ডেস্ক । ২৫ এপ্রিল ২০২১ ।

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম পুরোপুরি সচল রয়েছে বলে দাবি করেছেন কর্মকর্তারা।তারা বলছেন, বন্দরে কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং, জাহাজ আসার সংখ্যায় কিছুটা প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বন্দরে নেই জাহাজ বা কন্টেইনারের জট; দ্রুত খালাস হচ্ছে পণ্য।গত বছর মার্চ মাসে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর সর্বাত্মক সাধারণ ছুটি ঘোষণা হলে অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে কিছুটা ভাটা পড়েছিল। কিন্তু এবার মার্চে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় লকডাউনে বন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়নি।

 

করোনাভাইরাস মহামারীকালে সঙ্কট কাটিয়ে প্রায় পুরোপুরি সচল হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি: সুমন বাবুকরোনাভাইরাস মহামারীকালে সঙ্কট কাটিয়ে প্রায় পুরোপুরি সচল হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি: সুমন বাবুচট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, এবারে সংক্রমণ বাড়ার পর লকডাউন দেওয়া হলেও বিভিন্ন রপ্তানিমুখী কল-কারখানা খোলা রয়েছে। সেজন্য কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং স্বাভাবিক রয়েছে। পাশাপাশি আমদানিকৃত কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ও পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে।

 

গত বছরের মার্চের তুলনায় এবছর মার্চে কন্টেইনার ও কার্গো উঠানামায় ৭ দশমিক ৭ শতাংশ এবং জাহাজ আসা-যাওয়ায় ২ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।ওমর ফারুক বলেন, গত বছর মার্চ মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ আসে মোট ৩৬৬টি। রপ্তানি ও আমদানি মিলিয়ে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে দুই লাখ ৪৯ হাজার ৬৬৯টিইউইউস (প্রতিটি ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের) কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে এক কোটি দুই লাখ ৬৪ হাজার ৪০২ মেট্রিক টন।এবার মার্চ মাসে জাহাজ এসেছে ৩৭৬টি।কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে দুই লাখ ৬৯ হাজার ৪৪৬ টিইইউএস।

 

কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে এক কোটি ১০ লাখ ৪২ হাজার ৮১৮ টন।করোনাভাইরাস মহামারীকালেও সচল চট্টগ্রাম বন্দরে চলছে কন্টেইনার উঠানামা। ছবি: সুমন বাবুকরোনাভাইরাস মহামারীকালেও সচল চট্টগ্রাম বন্দরে চলছে কন্টেইনার উঠানামা। ছবি: সুমন বাবুতিনি বলেন, “করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দর তার সক্ষমতার মধ্য দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর ২৪ ঘণ্টা খোলা ছিল। অন্যান্য অনেক বন্দরের চেয়ে আমাদের অবস্থান অনেক ভালো রয়েছে।তিনি বলেন, গত বছর মার্চের শেষের দিকে এবং এপ্রিলের শুরুতে পণ্যবাহী জাহাজ আসা স্বাভাবিক থাকলেও কন্টেইনার খালাস প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে গিয়েছিল, ফলে বন্দরে জট তৈরি হয়েছিল।তবে এবছর কোনো জট নেই বললেই চলে।

 

গত বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এ বছর বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে।চট্টগ্রাম বন্দরের হিসেবে, করোনাভাইরাস চলাকালীন সময়ে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে আমদানি-রপ্তানি মিলিয়ে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে, ২৭ লাখ ৯৭ হাজার ১৯০ টিইইউস। এসময়ে বন্দর দিয়ে জাহাজ এসেছে তিন হাজার ৭৬৪টি।২০১৮-১৯ অর্থ বছরে আমদানি-রপ্তানি মিলিয়ে হ্যান্ডলিং হয়েছিল ২৮ লাখ আট হাজার ৪৯৯ টিইইউস কন্টেইনার, আর জাহাজ এসেছিল মোট তিন হাজার ৬৯৯টি।করোনাভাইরাস মহামারীকালে সঙ্কট কাটিয়ে প্রায় পুরোপুরি সচল হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম বন্দর। সুমন বাবুকরোনাভাইরাস মহামারীকালে সঙ্কট কাটিয়ে প্রায় পুরোপুরি সচল হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম বন্দর।

 

সুমন বাবুচট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালীন সময়েও সকলের সহযোগিতায় বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে বন্দর অভ্যন্তরে কোন জাহাজ জট বা কন্টেইনার জট নেই। দ্রুত সময়ে পণ্য

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
জনপ্রিয়
সর্বশেষ সংবাদ
copyright protected
%d bloggers like this: