শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০০ পূর্বাহ্ন

চকলেটের লোভ দেখিয়ে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ আসামি গ্রেফতার
Reporter Name
Update : শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

সত্যখবর ডেস্ক ২৬ এপ্রিল ২০২১

নওগাঁর নিয়ামতপুরে চকলেটের লোভ দেখিয়ে পাঁচ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনার কয়েক ঘন্টা পর শিশুটিকে গ্রামীণ ক্লিনিক প্যাথলজি, ঝিলিম রোড, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রথমে ১ এপ্রিল নাচোল থানায় পরে ঘটনার স্থান নিয়ামতপুর থানায় হওয়ায় ১৬ এপ্রিল নিয়ামতপুর থানায় পুনরায় মামলা দায়ের করা হয়।স্থানীয় ও থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২৩ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নাচোল উপজেলার পিরপুর সাহানাপাড়া গ্রামের এমদাদুল হকের ছেলে মাহফুজের ৫ বছরের শিশু কন্যা ও প্রতিবেশীর আরেক শিশু কন্যা বাড়ির পাশে খেলা করছিল।

 

এ সময় প্রতিবেশী একরামুল হকের ছেলে রাসেল বাবু (১৭) চকলেট খাওয়ার লোভ দেখিয়ে বাড়ি থেকে ৩শ গজ উত্তরো নিয়ামতপুর থানাধীন জোতালী মৌজায় অবস্থিত বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গভীর নলকূপের ঘরে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে।পরে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুকে আসামির মা রেনুকা বেগম শিশুটিকে কান্নাকাটি অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে আসে। পরে শিশুর বাবা-মা শিশুকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে জিজ্ঞেস করলে শিশুটি সব বলে দেয়। এরপর শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য গ্রামীণ ক্লিনিক প্যাথলজি, ঝিলিম রোড, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভর্তি করা হয়।এ ঘটনায় ১ এপ্রিল নাচোল থানায় একটি ২০০০ সালের শিশু ও নারী নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী/০৩) ৯(১) ধারায় মামলা হয়।

 

মামলা নং-১/৪২। তদন্তে ঘটনাস্থল নিয়ামতপুর হওয়ায় ১৬ এপ্রিল পুনরায় একই ধারায় নিয়ামতপুর থানায় পুনরায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং-১৪/৭০। গভীর নলকূপটির অপারেটর আসামি রাসেলের বাবা একরামুল হক।ধর্ষিতা শিশু কন্যার পিতা এ প্রতিবেদককে বলেন, মামলা দায়ের হলে পুলিশ শুধুমাত্র একদিন তদন্তে আসে। এসে চলে যায়। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য তেমন কোন ভূমিকা পালন করছেন না। পুলিশ উল্টো আমাদেরকেই আসামির খবর জানাতে বলে। আমরা আসামির খবর দিলে তারা গ্রেপ্তার করবে।শিশুটির মা বলেন, আমরা গরীব মানুষ। কাজের জন্য সবাইকে বাইরে যেতে হয়। সেদিনও কাজের জন্য আমরা বাইরে ছিলাম।

 

তখন আমার মেয়ে ও আমার ভাইয়ের মেয়ে বাড়ির পাশে খেলা করছিল। সে সময় আমাদের প্রতিবেশী একরামুল হকের ছেলে রাসেল বাবু চকলেটের লোভ দেখিয়ে ডিপ ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পুলিশ আসামি গ্রেপ্তারে গড়িমসি করছে। কোনো তৎপরতা নেই তাদের। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইন চার্জ হুমায়ন কবির বলেন, ঘটনার একমাস তিনদিন পর আমার থানায় মামলা হয়েছে। ভুল বুঝাবুঝির কারণে মামলা নাচোল থানায় হয়েছিল। ভিকটিম শিশু এবং অভিযুক্ত শিশু। তাই অভিযুক্তকে আসামিও বলা যাবে না আবার গ্রেপ্তারও দেখানো যাবে না। আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। অভিযুক্ত খোঁজা হচ্ছে। তাকে পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
জনপ্রিয়
সর্বশেষ সংবাদ
copyright protected
%d bloggers like this: