বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন

 কয়া ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান হত্যাকারীর ছেলের চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন
ডেস্ক
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১

সত্যখবর ডেস্ক । ৩০ মে ২০২১ ।

কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মরহুম জামিল হোসেন বাচ্চু হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী ইব্রাহীম আলীর ছেলে রাসেল হোসেন আরজু এখন নিজেই চেয়ারম্যান প্রার্থী। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মরহুম জামিল হোসেন বাচ্চু ছিলেন কয়া ইউনিয়নের জনপ্রিয় একজন চেয়ারম্যান। তিনি জীবিত থাকলে হয়তো অন্য কেউ চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্নই দেখতেন না। তার জনপ্রিয়তা ছিল আকাশচুম্বী।

 

এই কারণে কিছু দুস্কৃতিকারী তাকে হত্যার নীল নকশা করে। ২০০৯ সালের ২৫ জুলাই তাদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে খুন হয় জনপ্রিয় এই চেয়ারম্যান। মরহুম জামিল হোসেন বাচ্চু চেয়ারম্যানের বন্ধু আলী হোসেন বলেন, কয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে প্রতিষ্ঠা করেন জামিল হোসেন বাচ্চু। তার হাত ধরেই রাজনীতি শুরু করেন তারই খুনি ইব্রাহিম আলী। আজ সেই খুনির ছেলেই চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন। এটা দুঃখজনক। দুঃখের বিষয় খুনি ইব্রাহিম আলীর ছেলে রাসেল

 

হোসেন আরজু এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। সে মাদক ব্যবসায়ীদের শেল্টার দাতা। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আজ অঢেল টাকা পয়সার মালিক হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এক মাদক ব্যবসায়ী এবং একজন অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ ও কসমেটিকস কারখানার মালিক আরজুকে অর্থনৈতিক  ভাবে সহযোগিতা করছে।মরহুম জামিল হোসেন বাচ্চুর ছেলে ও কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইয়াসির আরাফাতকে (তুষার) এর

 

সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার বাবা একজন জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ছিলেন এই ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা। এছাড়াও তিনি কুমারখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ছিলেন। তাকে হত্যা করে যারা চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তাদের স্বপ্ন কখনো বাস্তবায়ন হবে না। এই ইউনিয়নের মানুষ তাদের স্বপ্ন পূরণ হতে দেবে না। তাদের সাথে জনগণ নেই। কিছু সন্ত্রাসী রয়েছে,

 

তারা এই ইউনিয়নের শান্তি নষ্ট করতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আমার নেতা কখনো একজন খুনির ছেলের হাতে নৌকা দেবে না। আমার বাবার হত্যাকারীর ছেলে রাসেল হোসেন আরজু জুয়া খেলা করিয়ে ও অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করে কিছু টাকার মুখ দেখেছে। তার বিষয়ে প্রশাসন সব জানে। রাসেল হোসেন আরজুর মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমার বাবা ও চাচা মিথ্যা মামলায় জেল খাটছে। আমার বিরুদ্ধে যা অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
জনপ্রিয়
সর্বশেষ সংবাদ
copyright protected
%d bloggers like this: