রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ১১:২২ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
ফয়সাল
Update : রবিবার, ১৩ জুন ২০২১

সত্যখবর ডেস্ক ।। সোমবার, ০৭ জুন ২০২১, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ ।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কথিত পীরের দরবারে রাশেদ (২৮) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় কথিত পীর তাছের উদ্দিন কল্যাণপুরীসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।রোববার (৬ জুন) গভীর রাতে নিহতের বাবা আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে কল্যাণপুর দরবার শরীফের কথিত পীর তাছের তাছের উদ্দিন কল্যাণপুরীসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৫-২০ জনকে আসামী করেদৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এর আগে রোববার দুপুরে মোবাইল চুরির অভিযোগ দিয়ে কথিত পীর তাছের ফকিরের দরবার শরীফের ভেতরে ওই যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত যুবক দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের হরিনগাছী গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।মামলা দায়েরের পর

পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় ৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। এরা হলো- ভেড়ামারা উপজেলার কাচারিপাড়ার মোসাব্বির হোসেনের ছেলে সাইদুর রহমান মিলন (৩৫), দৌলতপুর উপজেলার কল্যাণপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে সামসুদ্দিন ওরফে শিমুল (২৮), সেনাইকুন্ডি গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আব্দুস সাদি শিমুল (৩৫), ইনছাফনগর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে সুমন হোসেন (৩৫), হোসেনাবাদ গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে ইমরান আলী (২০) ও কল্যাণপুর গ্রামের আফিরুল ইসলামের ছেলে শফিউল রহমান লিমন (১৯)জানা গেছে, আসামীরা সকলে কথিত পীর তাছের ফকিরের ভক্ত এবং সবসময় তারা দরবার শরীফের ভেতরে অবস্থান করতো।

 

দৌলতপুর থানার ওসি নাসির উদ্দিন জানান, মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে কল্যাণপুর দরবার শরীফের লোকজন রাশেদ নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এজাহারে উল্লেখিত ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকী আসামীদেরও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।এদিকে মামলা দায়েরের পর থেকে পীর তাছের উদ্দিন পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

উল্লেখ্য, কল্যাণপুর দরবার শরীফের কথিত পীর তাছের ও তার ক্যাডারদের বিরুদ্ধে দরবার শরীফ সংলগ্ন হিসনা নদী ও স্থানীয় লোকজনের জমি জোরপূর্বক দখল করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। দরবারের সশস্ত্র ভক্ত ক্যাডারদের ভয়ে স্থানীয় লোকজন ভয়ে মুখ খুলতেও সাহস পাচ্ছে না।

 

নদীর জায়গা দখলের ঘটনায় সম্প্রতি দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুন, দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার, দৌলতপুর থানার ওসি নাসির উদ্দিন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা নদী দখলমুক্ত করার নির্দেশ দিলেও আজও তা উদ্ধার হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
জনপ্রিয়
সর্বশেষ সংবাদ
copyright protected
%d bloggers like this: